ডেস্ক রিপোর্টঃ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে ১১৬ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় রফতানি খাত হিসেবে চামড়াজাত খাত ক্রমাগতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকলে এ খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় করা সম্ভব।রাজধানীর একটি হোটেলে চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যকে ২০১৭ সালের ‘বর্ষপণ্য’ ঘোষণা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকার ১৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিচ্ছে। যারা সাভার চামড়া শিল্প নগরী থেকে রপ্তানি করবেন তাদের আরো পাঁচ শতাংশ বেশি অর্থাত্ মোট ২০ ভাগ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে ট্যানারি স্থানান্তর করতে হবে। অন্যথায় যারা স্থানান্তর করতে পারবেন না, তারা সমস্যায় পড়বেন।

তিনি বলেন, চামড়া শিল্প নগরীতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) স্থাপনের ব্যয় ট্যানারি মালিকরা নয়, সরকার বহন করবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্যানারি স্থানান্তরে মালিকদের অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এর মধ্যে সিইটিপি স্থাপন ব্যয় তাদের জন্য আলাদা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমি অর্থ মন্ত্রণালয়কে বলবো, সিইটিপি স্থাপনে সব খরচ যেন তারা বহন করে।

আগামী ১০ বছরে চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে অন্যতম প্রতিযোগী দেশ হবে বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিবছর রফতানিযোগ্য সম্ভাবনাময় নির্দিষ্ট একটি পণ্যকে ‘বর্ষপণ্য’ ঘোষণার বিধান রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যকে ২০১৭ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন।

ওয়ার্ল্ড ফুটওয়্যার ইয়ারবুক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সম্মেলনে জানানো হয়, জুতা উত্পাদনে বিশ্বের অষ্টম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। একবছরে ৩৫ কোটি জোড়া জুতা তৈরি করেছে বাংলাদেশ। উত্পাদনের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরে  চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যের বাজারে বিশ্ব অর্থনীতিতে অন্যতম প্রতিযোগী দেশ হবে বাংলাদেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here