গ্ল্যাক্সোস্মিথের আয় কমেছে

0
248

স্টাফ রিপোর্টার : বহুজাতিক কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন ২০১৮) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, জানুয়ারি-জুন সময়ে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন লিমিটেডের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৯ টাকা ২৭ পয়সা।

স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্র জানায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন) এ কোম্পানি ৩ টাকা ৬৫ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭৮ টাকা ৪৯ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৫৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন। এক বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ৫৫ টাকা ৫৬ পয়সা।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন। সে হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয় ৫৩ টাকা ৫১ পয়সা। এর আগে ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ৫৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইতে সোমবার গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন শেয়ারের সর্বশেষ দর ১ দশমিক ১২ শতাংশ বা ১৫ টাকা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩২০ টাকায়। দিনভর দর ১ হাজার ৩২০ থেকে ১ হাজার ৩৩০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সমাপনী দর ছিল ১ হাজার ৩২১ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৩৩৫ টাকা। এদিন ১০৮ বারে কোম্পানিটির মোট ৩ হাজার ৫৮০টি শেয়ার লেনদেন হয়। এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১ হাজার ৩২০ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ১ হাজার ৭০০ টাকা।

১৯৭৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ২৫০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৮১ দশমিক ৯৮ শতাংশই কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৫ দশমিক ৯৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী শূন্য দশমিক ৯১ ও মাত্র ১ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

সর্বশেষ বার্ষিক ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২৩ দশমিক ৭৮; হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ২৮ দশমিক ৭৫।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here