শ্যামল রায়ঃ শেয়ার ব্যবসায় ভাল করার জন্য ভাল ব্রোকার হাউজ একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।  কারন এ ব্যবসায় লাভ বা লস অনেকটাই নির্ভর করে একটি ভাল ব্রোকার হাউজের উপর। বিনিয়োগকারীরা যাদের মাধ্যমে বাইসেল করবেন তারা যদি এক্সপার্ট না হয় কিংবা তাদের লেনদেনে যদি স্বচ্ছতা না থাকে তারা যদি বিনিয়োকারীদের ভাল না চায় তাহলে সে ব্রোকার হাউজের বিনিয়োগকারীদের বিপদে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিকটা বিবেচনা করেই “স্টক বাংলাদেশ ” বিনিয়োগকারীদের জন্য ধারাবাহিক ভাবে ভাল কিছু ব্রোকার হাউজের পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

একটি ব্রোকার হাউজের গ্রাহক সেবার মান, অত্র প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, শেয়ার বাজারে তাদের সুনাম কতটুকু, কি কি সুবিধা বিনিয়োগকারীরা ঐ ব্রোকার হাউজ থেকে পেয়ে থাকেন, তাদের লেনদেনের স্বচ্ছতা কি রকম, আই টি সিষ্টেম, টাকা তোলার পদ্ধতি, পোর্টফোলিও ই-মেইলে পাঠানো হয় কি না, মোবাইলে ট্রিট করা যায় কি না- যাবতীয় সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে এই প্রতিবেদনে। যা থেকে বিনিয়োগকারীরা বেছে নিতে পারবেন তাদের পছন্দসই ব্রোকার হাউজ।

“এ এল সিকিউরিটিজ লিমিটেড”

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের আতুর ঘর বলে পরিচিত মতিঝিলের কেন্দ্রস্থলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পাড়া। এখানেই ১৫৮-১৬০ মধুমিতা সিনেমা হল বিল্ডিং এর সপ্তম তলায় ৭০১ নাম্বার রুমে অবস্থিত “এ এল সিকিউটিজ লিমিটেড”। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্তাধিকারী লুৎফুর রহামান।

প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৬ সালে। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে সর্বমহলের বিনিয়োগকারীদের কাছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েই চলছে। বর্তমানে প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারী মিলিয়ে প্রায় ১৯,০০০ এর মত বিনিয়োগকারী রয়েছে এএল সিকিউরিটিজে।

প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন বিনিয়োগকারী এ হাউজে ট্রেড করেন। ঢাকা শহরে তাদের সর্বমোট ব্রাঞ্চ রয়েছে ৩ টি। এর মধ্যে উত্তরার জসিম উদ্দিন এ একটি এবং ধানমন্ডির কলাবাগানে ১ টি। এছাড়া ঢাকার মিরপুরে তাদের ১ টি শাখা চালুর প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থার কারনেই টিকাটুলির হাটখোলা রোড়েও প্রধান কার্যালয়ের ১ টি এক্সটেনশন শাখা রয়েছে।

গ্রাহক সেবার মান সম্পর্কে বলতে গিয়ে এএল সিকিউটিজ লিমিটেড এর ডিজিএম শহিদুল ইসলাম আকাশ জানালেন- বিনিয়োগকারীদের অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে আন্তরিক ভাবে আমরা সেবা দিয়ে থাকি। আফটার ট্রেড ই-মেইলে গ্রাহকদের পোর্টফোলিও পাঠাবার ব্যবস্থা রয়েছে আমাদের।

টাকা তোলার জন্য কোনরকম ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই বিএনটিএন সিষ্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নিজ নিজ একাউন্টে টাকা চলে যায়। অনলাইন ট্রেড সুবিধা রয়েছে আমাদের। আমাদের আইপিও সিষ্টেমও খুবই সহজ, শুধু মাত্র ইনফর্ম করলেই আমরা আইপিও সুবিধা দিয়ে থাকি।

ডিএসইর মোবাইল এ্যাপস সুবিধাও চালু রয়েছে আমাদের। এছাড়া গ্রাহকদের রিফ্রেষমেন্ট এর জন্য খাবার এবং পানির সু-ব্যবস্থাও রয়েছে। আমাদের কমিশন রেটও অত্যন্ত ভাল। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে আমরা ছাড়ও দিয়ে থাকি।

এছাড়া গ্রাহকরা যাতে ক্লান্তিবোধ না করে সে জন্য ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং এসির ব্যবস্থাও রয়েছে। আমাদের আই টি সিষ্টেমও অনেক ভাল। তরুণদের সমন্বয়ে দক্ষ একটি আইটি টিম রয়েছে আমাদের। আমাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতাও রয়েছে দীর্ঘ দিনের। আমাদের লেনদেনে কোন রকম ঝামেলা নেই। এ নিয়ে কখনও কোন বিনিয়োগকারী কোন অভিযোগ করেনি। আর আমাদের সুনামের কারনেই বিনিয়োগকারীরা আমাদের উপর আস্থা রাখে।

এ এল সিকিউটিজ লিমিটেড গ্রাহক সেবার অনন্য একটি দৃষ্টান্ত মূলক প্রতিষ্ঠান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here