ক্ষরার মধ্যেও সিমেন্ট খাতের মেঘনা সিমেন্টের প্রাচুর্য

0
823

মাহবুব হোসেনঃ সিমেন্ট খাতের ৫টি কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৭) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত বছর সামগ্রিকভাবে এই খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়।

শুধুমাত্র মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেড ব্যতীত বাকি সকল কোম্পানির আয় গত বছরের তুলনায় এই বছর কমেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মেঘনা সিমেন্টের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা যা গত বছর একই সময় ছিল ০৭ পয়সা। এ সময় কোম্পানিটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪৩ শতাংশ যা এই বছর সিমেন্ট খাতের সর্বচ্চো প্রবৃদ্ধি। অর্ধ বার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৭) কোম্পানির আয় হয়েছে ৩৯ পয়সা যা গত বছর একই সময় ছিল ২৩ পয়সা। সুতরাং অর্ধ বার্ষিকে কোম্পানিটির প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশ।

সিমেন্ট খাতের দ্বিতীয় প্রান্তিকের চিত্র

এদিকে কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেড, এম আই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেড লাভের খাতায় থাকলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় তাদের ইপিএস কমেছে যথাক্রমে ৩৭, ৮১ এবং ৮৮ শতাংশ। একইভাবে অর্ধ বার্ষিকে তাদের ইপিএস কমেছে যথাক্রমে ২৬, ৬৭ এবং ৭২ শতাংশ।

গত বছরের মত এই বছরও এরামিট সিমেন্ট লোকসানের খাতা গুনছে। শুধু পার্থক্য এতটুকুই যে কোম্পানিটির লোকসানের পরিমাণ ১১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮২ পয়সা যা গত বছর একই সময় ছিল ৩৯ পয়সা। অর্ধ বার্ষিকে কোম্পানি শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৫৫ পয়সা যা গত বছর ছিল ৬৬ পয়সা। সুতরাং অর্ধ বার্ষিকে কোম্পানির লোকসান বেড়েছে ৮৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড এবং লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড ডিসেম্বর ক্লোজিং হওয়ায় সিমেন্ট খাতের তুলনামূলক বিশ্লেষণে এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here