কোন শেয়ার, কিভাবে এবং কতটা কিনবেন

14
25572
বিক্রি করে নয়; কেনার সময়ই আপনাকে লাভ করতে হবে। কম দামে ভাল শেয়ার কিনতে না পারলে বিক্রি করে লাভ করা সম্ভব নয়। ব্যাক্তিগতভাবে ‘ডাউন মার্কেট’ ই হল আমার প্রিয় বিনিয়োগের সময়। কারণ, এ সময় ভাল মানের শেয়ার তুনামূলকভাবে অনেক কম দামে কেনার সুযোগ পাওয়া যায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ফান্ডামেন্টাল কোম্পানির দিক নিম্নে আলোচনা করছি। তবে এই চেক লিস্টই শেষ নয়। বিনিয়োগকারী হিসেবে সময়ের সাথে সাথে আপনি যেমন অভিজ্ঞ হবেন, তেমনি এই চেক লিস্টও আপনার অভিজ্ঞতার সাথে সাথে বড় হবে।

ভাল কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রাথমিক চেকলিস্ট

  • প্রথমেই আপনার পছন্দের শেয়ারটির P/E দেখুন। এটা অবশ্যই ১৫ বা তার নিচে হওয়া উচিত। যত কম হবে ততই ভাল।
  • এবার NAV দেখুন। NAV এর সাথে বাজার মূল্যের সামঞ্জস্য থাকা উচিত। সাধারনত NAV ও শেয়ারের মূল্য অনুপান ১ হলে তা বিনিয়োগের জন্য আদর্শ বলে বিবেচিত হয়। তবে আমাদের বাজারে এ অনুপাত ১.৫ থেকে ২ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। মানে ৩০ টাকা NAV হলে ঐ শেয়ারের জন্য ৬০ টাকা পর্যন্ত ক্রয় মূল্য নিরাপদ।
  • কোম্পানির EPS ও NAV এর অনুপাত নির্ণয় করুন। এ অনুপাত ১০ বা তার চাইতে যত বেশি হবে শেয়ারটি তত ভাল বলে বিবেচিত হবে।
  • গত ৩/৪ বছরে কোম্পানির EPS বা মোট লাভের পরিমাণ লক্ষ্য করুন। ধারাবাহিক ভাবে EPS বা মোট লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায়া ভাল কোম্পানির লক্ষণ।
  • মোট শেয়েরের সংখ্যা দেখুন। আর দেখুন তার কতটুকু পাবলিকের হাতে আছে। নিয়মিত গ্রহণযোগ্য মাত্রায় লেনদেন হয় এমন শেয়ারই কেনা উচিত। ছোট paid-up capital এর শেয়ার তুলনামূলক ভাবে অতিমূল্যায়িত থাকে এবং এদের দাম অনেকে বেশি flactuate করে। তাই একজন নতুন অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনি মধ্যম থেকে বড় মাপের paid-up capital আছে এমন শেয়ারে বিনিয়োগ করুন। কারণ মাঝারী থেকে বড় মূলধনের (১৫০ কোটি বা তার ওপরের ) স্টকগুলোর বাজার দর অনেক বেশি stable থাকে।
  • Authorized capital আর Paid-up capita এর অনুপাত দেখুন। যদি দুটি খুব কাছাকাছি হয় তবে ঐ কোম্পানি কখনই ডিভিডেন্ড হিসেবে বোনাস শেয়ার দেবেনা। এ ধরনের শেয়ার থেকে আপনি শুধু ক্যাশ ডিভিডেন্ড পাবেন।
  • গত ৩-৪ বছরের ট্রেক রেকর্ড দেখুন। কী পরিমাণ বোনাস দেয় তা দেখুন। নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেয়া কোম্পানিগুল তুলনামূলক ভাবে নিরাপদ।
  • গত ১/২ বছরের গড় মূল্য দেখুন। চেষ্টা করুন এ মূল্যার কাছাকাছি দামে শেয়াটি কিনতে।
  • ডিএসই’র সাইটে প্রকাশিত গত ৫-৬ মাসের কোম্পানি সংশ্লিষ্ট খবরগুলি দেখুন।
  • ডিএসই প্রতি ৪ মাস পর পর কম্পানির আর্নিং রিপোর্ট দেয়। একটু বুঝে-শুনে হিসেব করলেই কোম্পানি বছর শেষে কি পরিমাণ লাভ করবে সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা সম্ভব।
  • কোম্পানির সুনাম ও এর পরিচালকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করুন। পরিচালকদের ব্যক্তিগত ইমেজ খারাপ হলে ঐ কপম্পানি ফান্ডামেন্টালি যত ভালই হোক তা এড়িয়ে চলুন।

কি ভাবে কিনবেন ?
ধরুন আপনি কোম্পানি ‘ক’ এর ১০০০ টি শেয়ার কিনতে চান। সাধারণত আমরা একবারেই সব শেয়ার কিনে ফেলি। আর এতে আমাদের লোকসানের ঝুঁকি অনেক অনেক বেড়ে যায়। বরং একবারে সব শেয়ার না কিনে ৩-৪ বারে কিনুন। এটা মাথায় রাখুন যে, আপনি কেনার পর পরই শেয়ারটির দাম পড়ে যেতে পারে।

তাই ৩/৪ বারে কিনলে আপনার গড়ক্রয় মূল্য অন্যদের তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই কম হবে। অর্থাৎ শুরুতেই আপনি অন্যদের চাইতে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবেন; যা আপনার মুনাফা অর্জনের জন্য সহায়ক। -এ স্ট্রটেজিকে বলা হয় এভারেজিং টেকনিক। বিক্রির ক্ষেত্রেও একই ফরমূলা অনুসরণ করুন। সব শেয়ার একবারে বিক্রি না করে ২-৩ ধাপে বিক্রি করুন।
কতটুকু কিনবেন ?
এটা নির্ভর করে আপনার পোর্টফলিও এর ডিজাইন ও তার বর্তমান অবস্থার ওপর। সহজ কথায়, সব মূলধন একটি কোম্পানির স্টকে বিনিয়োগ নিরাপদ নয়। এ কারনে সব টাকা একটি সেক্টরের ৩/৪ টি শেয়ার বিনিয়োগ করাও অনুচিত। নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য প্রথমেই ২-৩ টি সেক্টর বাছাই করুন। এবার প্রতিটি সেক্টর থেকে ২-৪ টি কম্পানির শেয়ার আপনার পোর্টফলিওতে রাখুন।
কারন সব ডিম এক খাচায় রাখলে একটি দুর্ঘটনাই আপনার সব কিছু নষ্ট করে দিতে পারে। তাই কখনই সব মূলধন একটি শেয়ারে বা একটি সেক্টরের শেয়ার সমূহে বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকুন। ইনশাল্লহ পরবর্তী পোস্টে পোর্টফলিও ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার ইচ্ছা রাখছি। আশা করি তা থেকে আপনারা উপকৃত হবেন।
  • লেখক-  মোহাম্মদ হাসান শাহারিয়ার

14 COMMENTS

  1. I expect some game story of some particular share. I think when a play of an item is end, there is very less even no scope to make profit from that item though it may be a very good item.Like the game of BSCCL which has been end. At the start it was collected by some big party @ 60 to 100 before 2013. It rose highest at 300+ at July2013. After that they started to offload to public.Some good news and good EPS was shown. Gradually it’s price started to decrease.
    This year there was some very good news like to export Band Width to india and a future expectation of high revenue. Still there is no hope of gain. EPS has been decreased to 0.86 taka at 2015 which was 7.85 taka at 2012 and 6.69 taka at 2013. How the EPS can be decreased to drastically at this company? There revenue should be steady to some extent according to their business pattern.
    *Actually Game has been END*
    It will come after 5 to 8 years.
    I search for virgin share with good fundamental, stable business, some reputation, good future…. And off course at low price. Hold some good amount. Have some trade at low range. Wait for 2 to 3 years.Have a return of 2 to 4 times.

  2. ধন্যবাদ। আপনার লেখাটি অনেকবার পড়েছি। খুব ভাল লেগেছে। নতুন বিনিয়োগকারীদের খুবই উপকারে আসবে। শেয়ার ব্যবসার নামার পূবেই উক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করেই শেয়ার কিনেছি। বিভিন্ন পন্ডিতগণের লেখা পড়েছি। এছাড়াও নিয়মিত আর্থিক বিষয়ক পত্রিকা- হার্ডকপি ও অনলাইন পত্রিকাগুলো প্রতিদিন দু এক বার দেখার চেষ্টা করেছি। উদাহরণ-কোন একটি যে শেয়ার ৮০/-, ৭০/-, ৬০/-, ৫০/-, ৪০/- ও ৩০/- টাকায় ক্রয় করেছি এক বছরের বেশী সময় যার গড়মূল্য ৬০/-+ টাকা। বর্তমানে সেই শেয়ার ৩০-৩২টাকা । এরকম কোম্পানী অনেক রয়েছে। বিষয় হলো নতুন কোম্পানী যখন আইপিও নিয়ে আসে ও মার্কেটে আসলে পরে প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত প্রায় সব ইন্ডিকেঁটরস গুলো মান সম্মত ও সুস্বাস্থ থাকে। এরপর ধীরে ধীরে রোগা হয়ে যায়- এর কারণ হতে পারে – রোগাকান্ত কোম্পানীগুলো মূলধন সংগ্রহের জন্য শেয়ার মার্কেটে আসার জন্য অডিটের জন্য হয়ত সঠিক আর্থিক বিবরণী পেশ করে না, ভুল তথ্য দিয়ে আর্থিক ইন্ডিকেটসগুলো সবল করে বিনিয়োগকারী ধোকা দিতে পারে। তার পরে তো কারসাজি চক্রান্তকারী তো রয়েছে তাদের রোষানলের স্বীকার হচ্ছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। যে সকল কোম্পানী সততা ও বিশ্বস্থভাবে সঠিক আর্থিক প্রতিবেদন ও ইন্ডিকেটরসগুলো নির্ণয় প্রকাশ করে, তাদের শেয়ারগুলোর মূল্যে শত দূর্যোগে হয়ত তেমন শেয়ার মূল্য হের ফের হয় না। একটি পরিবারে যদি পাঁচটি ভাল ছেলে থাকে, আর একটি ছেলে যদি দুষ্ট হয় তাতেই সংসার ছাড়খার হয়ে যায়। যেমন এক কলস দুধের মধ্যে এক ফোটা ছাগলের চেনা। তাতেই এক কলস দুধ নষ্ট হয়ে যায়। কারসাজি চক্রান্তকারী সংখ্যায় কম কিন্তু তাদের আর্থিক শক্তি বেশী। গোলাবারুদ বিহীন বাংলার দামাল ছেলে মেয়েরা ৫২’র ভাষা অন্দোলন ও ১৯৭১ এ দেশ স্বাধীন করেছে। এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা একহাট্টা হলে হয়ত কারসাজিকারীদের সাথে লড়াই করে শেয়ার বাজারে টিকে থাকা সম্ভব হবে, নয়ত এই দুনিয়ায় উলঙ্গ আসছি আর উলঙ্গ হয়ে যেতে হবে সাথে কিছু নিয়ে যাওয়া যাবে না। তবু মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় একটু ভাল থাকতে চায়। শেয়ার ব্যবসাটি ঝামেলা বিহীন। তেমন কোন কায়িক পরিশ্রম করতে হয় না। অন্যান্য ব্যবসায় মূলধন, কর্মী, পজেশন, সময় দরকার তা ছাড়া জান মালের ঝুঁকি রয়েছে। এই কারনেই ছাত্র, চাকুরীবি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোক একটু স্বচ্ছল ভাবে থাকার জন্য কাজেরে ফাঁকে ফাঁকে তাদের জমানো পুঁজি দিয়ে শেয়ার বাজারে আসে। সামান্য লাভের আশায়। সেখানে লাভ তো দূরের কথা পুঁজি নিয়ে ফেরা দায়। অতি লোভীদের কথা আলাদা। লোভে পাপ। পাপে মৃত্যু।

  3. ধন্যবাদ জন্য আপনার মন্তব্যের জন্য।

    আপনার কথা দিয়েই শুরু করি। এটা ঠিক যে শেয়ার ব্যাবসা করতে বড় পুঁজি, লোকবল ও ভাল পজেশ্ন ও কায়িক পরিশ্রমের দোকার হয় না। কিন্তু আমরা সবাই ভ্যলে যাই যে দুনিয়ার সব চেয়ে ঝুকিপূর্ণ কিছু পেশার একটি হচ্ছে শেয়ার ব্যবসা। তাই এখানে টিকে থাকতে হলে অনেক সময় ও মানসিক/ বুদ্ধিবৃত্তিক পরিশ্রমের প্রয়োজন।

    আপনি যদি ত্রেডার হন তবে সপ্তাহে ৫ দিন ট্রেড আওয়ারের ৪ ঘণ্টা আপনাকে বাজার মনিটর করতে হবে। আর যদি আপনি বিনিয়োগকারী হোক তবে দিনে ১০-২৫ মিনিটই যথেষ্ট আপনার পোর্টফলিও তে থাকা শেয়ার গুলর বাজার দর জানার জন্য। There is no free lunch in this world. – দুনিয়াতে টাকা উপার্জনের কোন সহজ উপায় নেই। শেয়ার ব্যবসায় শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন নয়া হলেও অন্য ভাবে আপনাকে শ্রম দিতে হবে। আর এই শ্রম আপনাকে দিতে হবে কোম্পানি এনালাইসিস করার কাজে। ট্রেড আওয়ারের বাইরে দিনে ৩-৪ ঘণ্টা অথবা ছুটির দিনে ১২-১৫ ঘণ্টা আপনাকে কোম্পানি এনালাইসিস করে শেয়ার বাছাই করতে হবে। ট্রেডারগন টেকনিকার এনালাইসিস আর বিনিয়োগকারীগণ ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করে তাদের পোর্টফলিও ও ওয়াচ লিস্টের জন্য শেয়ার বাছাই করবেন।

    এক জন্য বিনিয়োগকারী হিসেবে আমার অভিগ্যতা হল প্রতি ১০-১২ টি কোম্পানি এনালাইসিস করে হয়ত ১ টি বিনিয়োগযোগ্য কোম্পানি পাওয়া যায়। নতুন কোম্পানি হলে তাদের প্রসপেক্টাস ও পুড়ন কোম্পানি হলে তাদের আর্নিং রিপোর্ট পড়ে ব্যবসার অবস্থা বুঝতে হয়। বাজারে ৩৩৫ এর মত স্টক থাকলেও নিরাপদ বিনিয়োগযোগ্য কপম্পানি আছে ৩০-৪০ টি। এগুল থেক ৫-৮ টি থাকে পোর্টফলিওতে আর বাকি ১০-১৫ টি থাকে অয়াচলিস্টে। ফলে এই ২০-২৫ টি কোম্পানির সব নিউজ, আর্নিং রিপোর্ট পড়ে নিজেকে আপডেট আখতে হয়।

    বাজারে গেম্বার ছাড়াও আরেক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী আছেন যারা অনেক শক্তিশালী। এই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আছে বড় পুঁজি ও রিসার্চ উইং। যেখানে ভবসা অনুষদের ভারি ভারি ডিগ্রিধারীগণ মোটা বেতনে ৯-৫ টা জব করেন। তাদের কাজই হল কোম্পানি এনালাইসিস করা। একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগাকারী হিসেবে এদের সাথে প্রতিযোগিতা করেই আপনাকে মুনাফা করতে হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন কতটা হোম ওয়ার্ক করে আপনাকে এই বাজারে ব্যবসা করতে হবে। এখানে সময়, মূলধন ও বুদ্ধবৃত্তিক পরিশ্রমই আপনাকে সাফল্য এনে দেবে।

    এবার আসই নতুন কোম্পানিগুলোর অবস্থা নিয়ে। যদি আপনি নতুন আসা একটি কপম্পানির প্রসপেক্টাস পড়েন তবে সহজেই বুঝবেন ঐ কোম্পানি আপনার টাকায় কি কি করবে। কত দিনে করবে। সাধারণত ১২-১৮ মাস সময় লাগে উত্তলিত টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে। ফলে এই ১২-১৮ কোম্পানির কোন বাড়তি আয় থেকে না। কিন্তু IPO তে দেয়ে শেয়ারগুল যোগ হওয়ায় মোট শেয়ার সংখ্যা যায় বেড়ে ফলে NAV ও EPS উভয়ই কমে যায়। আবার IPO মূল্য নির্ধারনে কোম্পানিগুল কিছু অতিরঞ্জিত সম্পদ, আয় দেখায়। এত কিছু করেও তারা যে মূল্যে IPO ছাড়ে আমরা কিনি তার ২/৩ গুন বেশী মূল্যে। এবার আপনিই বলুন এত বেশী দামে শেয়ার কিনে কত জন্য ১২-১৮ মাস অপেক্ষা করবে? ফলে দাম কমে যাওয়াই কি যৌক্তিক নয়? আমার মতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩-৫ বছর বাজারে আছে এমন কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করা উচিত।

  4. আপনার গঠনমূলক লেখার জন্য ধন্যবাদ। এখান থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনেক শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে। মূলধন নিয়ে ব্যবসা বলতেই ঝুকি আছে আর প্রত্যেকটি ব্যবসায় লাভ লোকসান থাকবে-এটি চিরসত্য। দীর্ঘ সময় ধরে ভাল মন্দ প্রায় অধিকাংশ কোম্পানীর শেয়ার দর বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। যা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তিন/চার বছরের লভ্যাংশ একত্রে প্রদান করা হলেও বিনিয়োগকৃত মূলধনের সমান হবে না। হয়ত কাকতলীয় ভাবে কিছু বিনিয়োগকারীরা মূলধনের সমান বা কিছু লাভ করতে পারে। কেহ প্রকাশ করুক বা না করুক অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কেহ যদি শেয়ার বাজারে এক বছরে ১০০ টাকা বিনিয়োগ ৫০.০০ টাকা হারায়, তার জন্য এটি বড় কিছু। যা হউক, আমার জানা মতে ওচঙ তে আসা কোম্পানীগেুলো নতুন নয়। নুন্যতম তিন/পাঁচ বছর ব্যবসা করার পরেই ওচঙ তে আসে। কোম্পানীর প্রসপক্টোস অনুসারে সঠিক পরিকল্পনা ও বাজেট অনুসারে কর্মকান্ড পরিচালিত হলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রেও অনেক কোম্পানীয় সমস্যা রয়েছে। কোম্পানীর সার্বিক দিক বিবেচনা ও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ওচঙ দিয়ে কোম্পানী মূলধন সংগহের জন্য অনুমোতি প্রদান করে থাকে। তার পরেও কি করে সম্ভব ফেস ভেল্যু বা ঘঅঠ এর নীচে শেয়ারের মূল্য নিচে থাকে। ৩-৫ বছর বাজারে আছে এমন অধিকাংশ কোম্পানরি শেয়ারের মূল্যর অবস্থা তো ভাল নয়। শেয়ার বাজারে একবার ক্ষদ্র বিনিয়োগকারীরা খাদে পরলে ঊাঠা মুককিল। কোম্পানীর সঠিক আর্থিক প্রতিবেদন যথাসময়ে প্রকাশিত না হওয়া এবং কারসাজীকারিদের নিয়ন্ত্রন করা না গেলে এবং তাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অবস্থা কখনো ভাল হবে না। প্রাথর্না করি, যেন কোম্পানীর সঠিক আর্থিক প্রতিবেদন যথাসময়ে প্রকাশিত হয় এবং কারসাজীকারিদের মনমানসিকতার পরিবর্তন হয়।

  5. Comment: আমাকে কি কেউ বলতে পারেন কোন ব্রোকার হাউস সবচাইতে টাকা কম কাটে।
    আমাকে জানালে আমি খুব খুসি হইব। করন প্রতি শেয়ারে যে পরিমানে লাভ করি প্রায় তার ৫০% ব্রোকারকে দিলে কিছুই থাকেনা।

  6. শেয়ার বাজার আসলে কি??? আর এই টাকা কোথায় দিতে হয় এবং কত দিন পরে এটা আবার তোলা যায়? টাকাটা থেকে লাভ পাওয়া যায় কতদিন পর??? বিষয় গুলো জানার ইচ্ছে রয়েছে।।।

Mamun শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন Cancel reply

Please enter your comment!
Please enter your name here