কেয়া গ্রুপের পরিচালক খালেক পাঠান জামিনে মুক্ত

0
1291

স্টাফ রিপোর্টার : কেয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল খালেক পাঠানকে জামিন দিয়েছে উচ্চ আদালত। কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের নামে কৃষি ব্যাংক থেকে ১১১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় খালেক পাঠানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আবদুল খালেক পাঠান

১১১ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাত মামলায় বৃহস্পতিবার তিনি উচ্চ আদালতে জামিন পান। এ কথা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানি সচিব নুর হোসেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে গত ২০ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা।

মামলায় খালেকের মেয়ে ও কেয়া ইয়ার্নের চেয়ারম্যান খালেদা পারভীন, দুই পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়।

অন্য আসামিরা হলেন- কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার কর্পোরেট শাখার সাবেক এজিএম মো. সারোয়ার হোসেন, সাবেক ডিজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. জুবায়ের মনজুর, সাবেক এসপিও মো. আবুল হোসেন ও সাবেক এসপিও গোলাম রসুল।

কেয়া ইয়ার্ন মিলের কারখানটি গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুনে অবস্থিত। এটি কাঁচা তুলা আমদানি করে সুতা উৎপাদন করে তৈরি পোশাক কারখানায় সরবরাহ করে থাকে।

মামলার এজাহারে কলা হয়, কৃষি ব্যাংকটির ওই শাখা প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদিত সীমার বাইরে গিয়ে কেয়া ইয়ার্নকে একের পর এক ‘ফরেন ডেফার্ড এলসি’র বিলে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ঋণের বিপরীতে কোনো জামানত না থাকায় তা জামানতবিহীন ঋণে পরিণত হয়, যার আদায় অনিশ্চিত।

এছাড়া আমদানী করা মালামাল দিয়ে উৎপাদিত পণ্য ব্যাংকটির মাধ্যমে রপ্তানি না করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১০ সালের ২৭ জুলাই থেকে ২০১১ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে ওই ঋণ নিয়ে আত্মসাত করা হয় বলে এজাহারে বলা হয়।

কেয়া গ্রুপের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কেয়া কসমেটিকসের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শুধু তাদেরই ঋণের পরিমাণ সাড়ে ১৩শ কোটি টাকার বেশি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here