কেয়ার ১৫৫ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ দেশে পৌঁছেছে, বাণিজ্যিক উৎপাদন আগস্টে

0
2969

সিনিয়র রিপোর্টার : কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের একীভূত প্রতিষ্টান কেয়া নিট কম্পোজিট ও কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেড আধুনিকায়নে কারখানায় নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। গত বছর সাউথইস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ১৫৫ কোটি টাকার এলসি করা হলে ইতোমধ্যে কোম্পানির অনেক যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

সেসব যন্ত্রাংশ ‘এলসি ছাড়িয়ে’ কারখানায় নেয়া হচ্ছে। কেয়া নিট কম্পোজিট ও কেয়া স্পিনিং মিলসের মূল কারখানা গাজীপুরের কোনাবাড়িতে এসব যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হবে।

আগামী জুলাই মাসে যন্ত্রাংশ স্থাপন শেষে প্রাথমিকভাবে চালু করা হবে। তবে সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাণিজ্যিকভাবে সেখানে কোম্পানির উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। স্টক বাংলাদেশকে সোমবার সকালে এমন তথ্য নিশ্চিত করেন কেয়া কসমেটিকস কোম্পানির কর্পোরেট ম্যানেজার নূর হোসেন।

তিনি বলেন, কেয়া নিট কম্পোজিট মিলের পুরাতন সব মেশিন সরিয়ে নতুন ২০০ মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে। কোম্পানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য কোম্পানির উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।

জার্মানি, ইতালি, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, জাপান, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং ও সুইডেন থেকে আনা এসব যন্ত্রপাতি ব্যবহাবে কোম্পানির উৎপাদন ‍দ্বিগুণ হবে।

তবে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের সিএফও মি. আশরাফ এ বিষয়ে ‘কোন মন্তব্য’ করতে রাজী হননি।

২০০১ সালে শেয়ারবাজারে আসা কেয়া কসমেটিকসের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৩৫ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৮০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে বর্তমানে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৬৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৮ দশমিক ৫৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ২৭ দশমিক ৮১ শতাংশ শেয়ার।

উল্লেখ্য, কেয়া কসমেটিকস শুরুতে ওষুধ-রসায়ন খাতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও ২০১৫ সালে গ্রুপের আরো তিন কোম্পানি (বস্ত্র খাতের) কেয়া কসমেটিকসের সঙ্গে একীভূত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোম্পানিগুলোর আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়দেনা সবই কেয়া কসমেটিকসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here