কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা ছাড়ে বিএসইসির নীতিমালা

0
294

BSEC- 1কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরাদ্দ দেয়া ৩০০ কোটি টাকা বন্টনের নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য রোববার বিএসইসি’র কমিশনার আরিফ খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়ন বিষয়ে আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জমান বলেন, নীতিমালা তৈরি হলেই বাংলাদেশ ব্যাংক পুনঃঅর্থায়নের টাকা আইসিবিকে দেবে। এরপর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তা বন্টন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই গচ্ছিত রয়েছে। এই অর্থ যে কোনো সময় গ্রহণ করা হবে। তবে তার আগে এই টাকা বন্টনের নীতিমালা করা হচ্ছে। এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।

নীতিমালা তৈরিতে কোন কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন কোন মার্চেণ্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউজ বেশী ক্ষতিগ্রন্ত হয়েছে, মার্জিন ঋণে কাদের বেশী মূলধন আটকে আছে এসব আগে বিবেচনায় নেয়া হবে।
তিনি আরো জানান, আমরা এই টাকা ঋণ হিসাবে দেবো না ফান্ড হিসেবে বরাদ্দ দেবো তাও বিবেচনা করছি। ঋণ হিসেবে দিলে সুদের হার কত ধরা হবে- তা বিবেচনায় রয়েছে।

ফায়েকুজ্জামান জানান, যত দ্রুত সম্ভব টাকাটা ছাড় করা হবে। পুন:অর্থায়নের ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্বিক সাপোর্ট দেবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইসিবিকে ৫ শতাংশ সুদে এই টাকা ঋণ দেবে। আইসিবি ৬ শতাংশ সুদে মার্চেণ্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ঋণ দেবে বলে জানা গেছে। গ্রাপ্ত টাকা মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ সুদে ঋণ আকারে বরাদ্দ দেবে।

উল্লেখ্য, ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখ ৫৩ হাজার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্প্রতি ৯০০ কোটি টাকা পূন:অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে আইসিবির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বন্টন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইসিবিকে এই অর্থ বরাদ্দ দেয়। তবে নীতিমালা তৈরি না হওয়ায় এখানো তা ছাড় করানো সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here