কেডিএস এক্সেসরিজের ‘আমলনামা’

0
6167

Khalilur Rahmanপ্রতিষ্ঠানের নাম কে ডি এস। তৈরি পোশাকের জগতে দেশের সেরা চারটি প্রতিষ্টানের মধ্যে একটি। প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ নিয়ে রয়েছে মজার রসায়ন।

(KDS) ‘কে’ বর্ণে বুঝায় খলিল, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের নাম। ‘ডি’ বর্ণে দেলোয়ারা, চেয়ারম্যানের প্রিয়তমা স্ত্রীর নাম এবং ‘এস’ বর্ণে বুঝায় সেলিম। খলিল ও দেলোয়ারা দম্পতির প্রিয় বড়ছেলের নাম সেলিম।

চট্টগ্রামে শিল্পগ্রুপগুলোর মধ্যে গড়ে ওঠা একটি কোম্পানি। সেরা চারের মধ্যে রয়েছে- আবুল খায়ের গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, পিএইচপি গ্রুপ ও কেডিএস গ্রুপ। পরিচিত ও সেরা চার কোম্পানির মধ্যে কেডিএস গ্রুপ একটি। কাজের সংস্কৃতি যেখানে বড় করে দেখা হয়।

অবাঙালী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী থেকে গত ৫০ বছরে নিজেকে তুলে এনেছেন সেরাদের সেরা স্থানে। দেশের ব্যবসায়ীক টাইফুনে পরিলত করেছেন নিজেকে। বাংলাদেশে গার্মেন্টস জগতে জীবন্ত কিংবদন্তি বলা হয় তাঁকে; খলিলুর রহমান।

প্রকৃতি সুলভ মানুষ তাকে বলা হয়। সত্তর বছর বয়সী এই কিংবদন্তি মানুষের প্রেমকেই বড় করে দেখেন।

দেশে বর্তমানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের গার্মেন্টস ব্যবসা রয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ‍অনেক ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখেছেন। তার অন্তরঙ্গ সহচর্য চেয়ে এখন অনেকে উচ্চ আসনে আছেন। তবে এই কিংবদন্তির প্রতি রয়েছে প্রত্যেক বিজয়ীর কৃতজ্ঞতা।

তিনি এখনো নিয়মিত সাতসকালে কারখানা পরিদর্শন করেন। সেলাইকর্মী থেকে শুরু করে ফোরম্যান পর্যন্ত সকলের নাম জানেন। তাদের কার সন্তান কতোজন তিনি তা জানেন এবং খোঁজ রাখেন।

সত্তর বছর বয়সী এই কিংবদন্তির কাজের প্রতি একনিষ্ঠতা, ব্যবসায়িক জ্ঞান ও আন্তরিকতা তাঁকে যোগ্য স্থানে বসিয়েছে। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি হিসেবে আছেন। ১৯৮৫ সাল থেকে এপর্যন্ত টানা রপ্তানী ট্রফির মতো রাষ্ট্রিয় সম্মাননা জিতেই চলেছেন।

কেডিএস গ্রুপ অব কোম্পানির তৈরি পোশাক ছাড়াও সি আর কয়েল ও ঢেউটিনের ব্যবসা রয়েছে। বছরে প্রায় সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকা তাদের লেনদেন হয়। যা দেশের গার্মেন্টস ব্যবসার প্রায় ২২ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৯ আগস্ট থেকে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করবে। আবেদনের শেষ তারিখ হচ্ছে ২০ আগস্ট। সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের এ সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

কেডিএস এক্সেসরিজ ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ২৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য হচ্ছে ২০ টাকা।

কোম্পানি সংগৃহীত অর্থে কোম্পানি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে। (আগামীতে আরো তথ্য জানানো হবে। তথ্য সংগ্রহে স্টক বাংলাদেশ টিম কাজ করছে)  –শাহীনুর ইসলাম।

পেছনের খবর : কেডিএস চেয়ারম্যান জীবন্ত কিংবদন্তি

আরো খবর : কেডিএস এক্সেসরিজের আইপিও আবেদন ৯ আগস্ট শুরু

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here