ওয়াইম্যাক্সের ‘আইপিও আবেদন ঈদের পরে’

1
7237

স্টাফ রিপোর্টার : ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোড লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কোম্পানিটির আইটিও আবেদন চলতি জুন মাসে আর হচ্ছে না, আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের আবেদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা এবং পুঁজিবাজারে আইপিও খরা কাটাতে চলতি মাসের শেষে আবেদন শুরু কথা ছিল। কিন্তু পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চলতি মাসে আর আবেদন শুরু হচ্ছে না। কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র রোববার এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে কোম্পানির ঊর্ধতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আইপিও আবেদন ঈদের পরে হবে। সামনে ঈদ, তাছাড়া আরো অনেক কারণে হবে না। কোম্পানির কর্তৃপক্ষ হিসেবে আমরা চাই- দ্রুত আইপিও আবেদন শুরু করা হোক। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন আছে।’

পুঁজিবাজারে ১০ টাকা দরে ১ কোটি  ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাচামাল ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

৩০ জুন, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩ পয়সা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা।

প্রকৌশল খাতের ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড লিমিটেডের ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১০ শতাংশ বেড়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৩ টাকা।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ তিন মাসে (জানুয়ারি’১৭-মার্চ’১৭) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৬ টাকা।

এছাড়া চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’১৬ থেকে সেপ্টেম্বর’১৬) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’১৬-ডিসেম্বর’১৬) ইপিএস হয়েছে ০.৫৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৪ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয় না।

কোম্পানিটি বছরে ৭ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। কোম্পানিটি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড, জিআই ওয়্যার এবং নেইল (পেরেক) উৎপাদন করে। ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি মোট ৪১ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড থেকে আয় এসেছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ১৪ শতাংশ, জিআই ওয়্যার থেকে এসেছে ১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ এবং পেরেক বিক্রি থেকে আয় এসেছে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ৫১.৫২ শতাংশ।

ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here