এসকে ট্রিমসের লেনদেন রোববার থেকে, দর কতো হবে?

1
1198

স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করা এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লেনদেন রোববার, ১৫ জুলাই শুরু হচ্ছে। এদিন দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে এক যোগে কোম্পানিটির লেনদেন চালু হবে।

লেনদেন শুরুর দিন কোম্পানিটির শেয়ার দর কেমন হবে- তা নিয়ে বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজ ও ফেসবুক গ্রুপে বিনিয়োগকারীদের চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বিনিয়োগকারীদের কেউ বলছেন, এনএভি মূল্যের দ্বিগুণ দরে লেনদেন শুরু হতে পারে কোম্পানিটির শেয়ার। তাই ৩০ টাকার বেশি দর দিয়ে লেনদেন শুরু হতে পারে -এমনি প্রত্যাশা লটারিতে পাওয়া কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীদের।

যারা লটারিতে কোম্পানিটির শেয়ার পাননি বা লটারিতে পাওয়ার জন্য আবেদন করেননি তারা বলছেন, কোম্পানিটির শেয়ার যে দরেই শুরু হোক, দিনশেষে ২৫ টাকার কাছাকাছি দরে অবস্থান করবে।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইপিওতে আসা নতুন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর আগেই কোম্পানির প্রসপেক্টাসের বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাচাই করা উচিত। এতে নতুন কোম্পানিতে বিনিয়োগ কীভাবে করতে হবে- তার উপযুক্ত পরিকল্পনা তৈরি করা যায়। পাশাপাশি বিনিয়োগের পর পর্যাপ্ত মুনাফা করা সম্ভব হয়।

আইপিও তথ্য : ২০১৪ সালের পহেলা জুন প্রাইভেট কোম্পানি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় এসকে ট্রিমস। একই দিনে কোম্পানিটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়। ব্যবসা শুরুর পর থেকে মুনাফার ইতিবাচক উত্থানে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে।

আইপিওর শেয়ার সংখ্যা: আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়েছে এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা ইস্যু মূল্যে কোম্পানিটি ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

লেনদেনযোগ্য শেয়ার: লেনদেন শুরুর প্রথম কার্যদিবসে কোম্পানিটির সর্বমোট শেয়ারের ২ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার বিক্রয় উপযোগী হবে। এরমধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। ৭৫ লাখ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের। যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সর্বমোট শেয়ারের ৫০ শতাংশ।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাদবাকি শেয়ার বা ৭৫ লাখ শেয়ারের ৫০ শতাংশ বা ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত লক-ইন থাকবে।

এছাড়া বাকি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত লকইন থাকবে।

আইপিও পরবর্তী সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের ৩০.২১ শতাংশ উদ্যোক্তা/পরিচালক, ২১.৪৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৪৮.৩৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।

1 COMMENT

F M Mizanur Rahman শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন Cancel reply

Please enter your comment!
Please enter your name here