এশিয়ায় মিশ্রাবস্থা, আমেরিকা ও ইউরোপ চাঙ্গা

0
469
ডেস্ক রিপোর্ট : তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমেরিকা ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। শুক্রবার দিনশেষে আমেরিকা ও ইউরোপের শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ৬টি মূল্য সূচক ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তবে এশিয়া অঞ্চলের ৬টির মধ্যে ২টি সূচক নিম্নমুখী অবস্থানে রয়েছে।
শুক্রবার দিনশেষে এশিয়ার দ্য এশিয়া দাউ ইনডেক্স ৭.৩৭ পয়েন্ট বা ০.২৪ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ৩০৮৪.২৯ পয়েন্টে, জাপানের নিক্কেই ২২৫ মূল্যসূচক ৩৩.২৪ পয়েন্ট বা ০.১৯ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ১৭৯২০.৪৫ পয়েন্টে, চীনের হ্যাংসেং মূল্যসূচক ১৭০.০৮ পয়েন্ট বা ০.৭১ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ২৪০০২.৬৪ পয়েন্টে, সাংহাই সূচক ৩৮.১৯ পয়েন্ট বা ১.৩২ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ২৯৩৭.৬৫ পয়েন্টে, ভারতের সেনসেক্স সূচক শুক্রবার দিনশেষে ১০৪.৭২ পয়েন্ট বা ০.৩৭ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ২৮৪৫৮.১০ পয়েন্টে এবং সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর সূচক ১৯.৫৭ পয়েন্ট বা ০.৫৯ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ৩৩২৪.৩৯ পয়েন্টে।
আমেরিকার ডাউজোনস শুক্রবার দিনশেষে ০.৩৩ পয়েন্ট বা ৫৮.৬৯ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ১৭৯৫৮.৭৯ পয়েন্টে, নাসডাক ০.২৪ পয়েন্ট বা ১১.৩২ শতাংশ বেড়ে ৪৭৮০.৭৬ পয়েন্টে, এসএ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.১৭ পয়েন্ট বা ৩.৪৫ শতাংশ বেড়ে ২০৭৫.৩৭ পয়েন্টে, ডিজে টোটাল মার্কেট ০.২১ শতাংশ বা ৪৫.৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ২১৫৩২.১২ পয়েন্টে, গ্লোবাল দাউ ইনডেক্স ০.৩৩ শতাংশ বা ৮.৩৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২৫৬৬.৪৮ পয়েন্টে এবং রুসেল ২০০০ সূচকটি ০.৮০ শতাংশ বা ৯.৪২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১৮২.৪৩ পয়েন্টে।
লন্ডনের এফটিএসই-১০০ সূচক শুক্রবার দিনশেষে ৬৩.৪৭ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ৬৭৪২.৮৪ পয়েন্টে, ফ্রান্সের ক্যাক-৪০ ইনডেক্স ৯৫.৫৯ পয়েন্ট বা ২.২১ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ৪৪১৯.৪৮ পয়েন্টে, ইতালীর এফটিএসই এমআইবি সূচক ৬৬২.৮৫ পয়েন্ট বা ৩.৪১ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ২০০৮৭.২৩ পয়েন্টে, স্পেনের আইবিইএক্স-৩৫ সূচক ২৮০.৮০ পয়েন্ট ২.৬৪ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ১০৯০০.৭০ পয়েন্টে, জার্মানীর ড্যাক্স ইনডেক্স ২.৩৯ শতাংশ বা ২৩৫.৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ১০০৮৭.১২ পয়েন্টে আর ইউরোপের সার্বিক স্টক্সস-৬০০ সূচক ৬.১৩ পয়েন্ট বা ১.৭৮ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ৩৫০.৯৭ পয়েন্টে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম পুনরায় বেড়ে যাওয়ায় আমেরিকা ও ইউরোপের শেয়ারগুলোর দর সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে। তবে এশিয়ায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে ডলারের বিপরীতে জাপানী ইয়েনের মান কমেছে।
তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত তেল উত্তোলনের ঘোষণা দেয়। ফলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমে যায়। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরব ওপেকের সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে অতিরিক্ত তেল উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে করে আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে তেলের দাম পুনরুদ্ধার হয়। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে ওইসব অঞ্চলের শেয়ারবাজারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here