মার্চে নয়, এপ্রিলে আইপিও সহজীকরণ প্রক্রিয়া

2
1133
বিশেষ প্রতিনিধি : ব্যাংকের সামনে আর দীর্ঘ লাইন ধরতে হবে না শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের। আগামী এপ্রিল মাস থেকেই ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার এই প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও চাঁদা সংগ্রহের পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে পারে।
ইতিমধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নের পথে বলে আভাস পাওয়া গেছে। চলতি মার্চ মাসেই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। আগামী মাসেই বিনিয়োগকারীদের জন্য বিএসইসি থেকে ঘোষণা হতে পারে বলে বিশেষ একটি সূত্র রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করে।
ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিগত চার মাস ধরে নতুন আইপিও প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে কাজ করছে সংস্থাটি। ইতোমধ্যে বিএসইসি এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরী করে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ ও ট্রেকহোল্ডারদের মতামত নিয়েছে। ওই মতামতের উপর ভিত্তি করে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করে তা বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হবে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য বিএসইসির কমিশন সভার এজেন্ডায় আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়টি রয়েছে। সভায় নতুন আইপিও প্রক্রিয়ার খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনা হবে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সম্মতি পেলেই তা চূড়ান্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে চূড়ান্ত নীতিমালাটি নিয়ে আরও একদফা উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ ও সকল ট্রেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।নতুন আইপিও প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হলে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি অনেক কমবে।এ বিষয়ে বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিমত, প্রচলিত পদ্ধতি অনুসারে বিনিয়োগকারীদের ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে আইপিও’র আবেদন ফরম ব্যাংকে জমা দিতে হয়। কিন্তু নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদনগুলো ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের ডিপিতে জমা দিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। আর আইপিওর রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ ডিপির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

এর ফলে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান হবে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) ও স্থানীয় অধিবাসীদের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া একই দিনে শেষ হবে। ফলে আইপিও লটারির কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে। এর দ্রুত আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করে সেকেন্ডারি মার্কেটে কোম্পানিগুলোর লেনদেন চালু করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বিএসইসি’র কমিশনার আরিফ খান বলেন, শেষ পর্যায়ে রয়েছে আইপিও সহজীকরণ প্রক্রিয়া। বিএসইসি গত চার মাস ধরে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি অনেক কমবে।

এ বিষয়ে সিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, আইপিও প্রক্রিয়া কিভাবে সহজ করা যায় তা নিয়ে কাজ করছে বিএসইসি। নতুন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি অনেক কমবে বলে আশা করছি।

আরো খবর : মার্চে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন

 

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here