সিনিয়র রিপোর্টার : এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি দর বুধবার ২৩ টাকা ২০ পয়সা বা ৪৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে টপটেন গেইনারের শীর্ষে রয়েছে। লেনদেন শুরুর দ্বিতীয় দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বশেষ ৬৯ টাকা ৭০ পয়সা দরে লেনদেন হয়।

অন্যদিকে টানা টানা ১৫ কার্যদিবস দাম বাড়ার পর রবি আজিয়াটার শেয়ার দাম অবশেষে পতনের তালিকায়। তিন কার্যদিবসে দর কমে নামে ৫৭ টাকায়; যদিও বুধবার সামান্য বেড়ে তা উঠে দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকায়।

লেনদেনের প্রথম কার্যদিবস থেকে ১৬তম কার্যদিবসে ১৭ জানুয়ারি কোম্পানির শেয়ার দাম বড় অঙ্কে কমে।

বাজার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ‘এন’ ক্যাটাগরির নতুন একটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ায় একই গ্রুপের অন্য কোম্পানির শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তালিকাভুক্ত নতুন কোম্পানির লেনদেনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুনাফা পেতেই তারা শেয়ার হাত বদল করছেন বলে অনেকের অভিমত।

রবিবর দর বৃদ্ধির চিত্রটি ডিএসই থেকে নেয়া

২৪ মার্চ রবির ১৫ টাকায় লেনদেন শুরুর পরে টানা ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বিক্রেতা সংকট হয়। শেয়ারপ্রতি দর প্রায় ৬০০ শতাংশ বেড়ে ওঠে ৭০ টাকায়। এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনের  ঘোষণা আসার পরই ১৭ জানুয়ারি (রোববার) থেকে কমতে থাকে দর।

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের বুধবারের লেনদেন চিত্রটি ডিএসই থেকে নেয়া

যদিও দুদিন পরে মঙ্গলবার থেকে এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের প্রথম লেনদেন শুরু হয়। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা ব্যপকভাবে কমলেও প্রথম দিনের শেয়ার লেনদেনে ৫০ শতাং দর বাড়ে। দ্বিতীয় দিনে বুধবারও ২৩ টাকা ২০ পয়সা বা ৪৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে টপটেন গেইনারের শীর্ষে অবস্থান নেয়।

বুধবার কোম্পানিটি সর্বশেষ ৬৯ টাকা ৭০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটি ৮৩ বারে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭০৮টি শেয়ার লেনদেন করে। যার বাজার মূল্য ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

বরির লেনদেন প্রসঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন, শেয়ার দাম কমলেও লেনদেন কেমন হয়েছে দেখতে হবে। দাম কমলে আর একজন কেনার জন্য বসে আছে। আজ যদি রবির শেয়ার দাম ৫০ টাকা হতো তাহলে ৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হতো।

এখন শেয়ারবাজার খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে। এই বাজারে পতন বলে কিছু নেই। জাঙ্ক শেয়ারে দাম বাড়ছে না, দাম বাড়ছে সব ভালো ভালো কোম্পানির বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here