সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) মাধ্যমে ১৭ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে  এএফসি হেলথ লিমিটেড। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ১৬ সেপ্টেম্বর কমিশনের ৭৪০তম সভায় এ অনুমোদন দিয়েছে।

আইপিও অনুমোদন পাওয়ার কোম্পানির সাবসক্রিপশন ডেট বা আইপিও আবেদন আগামী নভেম্বর মাসের শেষে শুরু হবে।

সম্প্রতি বিএসইসির আইপিও অনুমোদন পেয়েছে অনেকগুলো কোম্পানি। কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের প্রান্তসীমা নির্ধারণ বা বিডিং এবং আগে অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিগুলোর সাবসক্রিপশন শেষে এএফসি হেলথের আইপিও আবেদনের দিনক্ষণ নির্ধারিত হবে। কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেশের ৩টি বিভাগীয় শহর খুলনা, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে সেবা দিচ্ছে বিশেষায়িত এ প্রতিষ্ঠানটি।

তবে চট্টগ্রামে হাসপাতালের একাংশ চালু থাকলেও চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপন ও আধুনিকায়তনের কাজ চলছে। হৃদপিণ্ড সম্পর্কিত যে কোনো সমস্যায় হাসপাতালটি ওয়ান-স্টপ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

এএফসি হেলথ ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়িক নিবন্ধন পেয়ে ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর কার্যক্রম শুরু করে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন জুয়েল খান এবং চেয়ারম্যান এবিএম গোলাম মোস্তফা।

ভারতের বিখ্যাত ফরটিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের সহযোগিতায় বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুটি ইউনিট স্থাপন করা হয়। এরপরে কুমিল্লায় হার্ট ইনস্টিটিউট খুলেছে বাংলাদেশের এএফসি (অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যাল) হেলথ লিমিটেড।

একই সঙ্গে এফসি হেলথ তাদের প্রোসপেক্টাসে ৪টি জেলায় ৪টি ফার্মেসি থাকার কথা উল্লেখ করেছে।

এএফসি হেলথ লিমিটেডকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এই অর্থ যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

এএফসি হেলথের ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৭ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) রয়েছে ১৩.১৩ টাকা।

উল্লেখ্য, ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে সিএপিএম এডভাইজরি ও ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here