কেঅ্যান্ডকিউ কোম্পানির দাম বেড়েছে তিনগুণ

0
661

স্টাফ রিপোর্টার : কোম্পানির শেয়ারদর কেন বাড়ছে তা আল্লাহ বলতে পারবেন, আমি বলতে পারব না। কেউ নেপথ্যে থেকে কেঅ্যান্ডকিউর শেয়ার দর বাড়াচ্ছে কি-না, জানিনা। এসব কথা বলেন মাল্টিমোড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

‘দর বৃদ্ধির বিষয়ে তদন্ত করে দেখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিকে অনুরোধ’ করেছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু।

কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ দীর্ঘদিন ধরে। সামনের দিনগুলোতে ব্যবসায়িক সম্ভাবনা না থাকায় পরিচালনা পর্ষদ বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কোম্পানিটির মূল ব্যবসা কার্বন রড ও আলকাতরা ইউনিটের জন্য ট্রেড লাইসেন্স, কারখানা লাইসেন্সসহ যাবতীয় লাইসেন্স বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরে গত বছর মার্চে আবেদন করেছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কেঅ্যান্ডকিউ। অথচ ওই সময়ের পর গত এক বছরেরও কম সময়ে জেড গ্রুপের শেয়ারটির দর বেড়ে তিনগুণ হয়েছে। ১৬ টাকা থেকে বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর সম্প্রতি ৪৭ টাকা দঁড়ায়।

মাঝে কয়েক দিন শেয়ারদর কমলেও বুধবার শেয়ারদর বেড়েছে ৯ শতাংশের ওপরে বেড়ে ৪২ টাকায় উঠেছে। ডিএসইতে শেয়ারটি ছিল দরবৃদ্ধির শীর্ষে। যদিও বুধবার উভয় শেয়ারবাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও কোনো শেয়ারটির দর বাড়ছে, তার কারণ জানেন না বাজার-সংশ্লিষ্টরা।

এমনকি কোম্পানির উদ্যোক্তা স্বয়ং মাল্টিমোড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর কাছেও কোনো কারণ জানা নেই। এ গ্রুপেরই একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কেঅ্যান্ডকিউ।

সূত্র জানায়, মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের দুই মাস পর গত মে মাসে কারখানা ব্যতীত এটির বাকি জায়গা সিজে ফুডসের কাছে ১৫ বছর মেয়াদে ইজারা দেয়। ফলে কোম্পানিটির আয় নেই বললেই চলে। এ কারণে গত ডিসেম্বর সমাপ্ত বার্ষিক হিসাবে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে লোকসান ছাড়িয়েছে ১ টাকা ২৯ পয়সা। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসের জন্যও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি শেয়ারহোল্ডারদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here