সিনিয়র রিপোর্টার : নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ডিসেম্বর মাসে উৎপাদনে ফেরার আভাস দিয়েছে ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের আগে ব্যবহার সম্পন্ন করতে যাচ্ছে কোম্পানিটি। কোম্পানির সম্প্রসারিত কারখানা ভবনের কাজ প্রায় শেষ।

বিদেশে থেকে কিছু যন্ত্রাংশ আমাদানী এবং স্থাপনের কাজ করা চলছে বলে জানিয়েছেন এর কর্মকর্তারা। তবে জানুয়ারির আগেই উৎপাদনে ফেরার তারা আভাস প্রদান করেন।

তবে সব যন্ত্রপাতি স্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে- উৎপাদন শুরু করতে জানুয়ারির আগে চলতি বছরের শেষে হবে।

ইয়াকিন পলিমারের চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক সম্প্রতি বলেন, শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থের ব্যবহারে শুরু থেকেই সচেতন ছিল ইয়াকিন পলিমার। ভবন নির্মাণসহ কারখানার আনুষঙ্গিক কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সব যন্ত্রপাতি স্থাপন করে জানুয়ারিতে আমরা সেখানে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করতে পারব। এর মাধ্যমে কোম্পানির উৎপাদন-সক্ষমতা ৩০ শতাংশ বাড়বে। পাশাপাশি পণ্যেও কিছু বৈচিত্র্য আসবে।

জানা গেছে, ব্যবসা সম্প্রসারণে যন্ত্রপাতি ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য শেয়ারবাজার থেকে ২০১৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে ইয়াকিন পলিমার। এর মধ্যে কারখানার ভবন নির্মাণে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১৩ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা জানায় কোম্পানিটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইপিও অর্থ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের। তবে নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার আগেই সম্পূর্ণ অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে দাবি করছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা। এদিকে ৩১ জুলাই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেয়া আইপিও অর্থ ব্যবহার প্রতিবেদন অনুসারে, তখন পর্যন্ত আইপিও তহবিলের ৩১ শতাংশ অব্যবহূত ছিল।

ডিএসইতে দেয়া ওই তথ্যে কোম্পানি জানায়, কারখানার ভবন নির্মাণ, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করতে এলসি খোলার কাজ সম্পন্ন করেছে ইয়াকিন পলিমার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here