ইমাম বাটনকে টাকা পরিশোধের নির্দেশ

0
583

স্টাফ রিপোর্টার : ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৪ টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজকে সে অর্থ পরিশোধের পাশাপাশি জরিমানা হিসেবে আরো ৮ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রামের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ১৫ দিনের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে কোম্পানিটিকে। ২১ মার্চ কোম্পানি বরাবর এ চিঠি ইস্যু করা হয়।

এদিকে টানা লোকসানে থাকায় ওষুধ-রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির রিজার্ভ ঋণাত্মক। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানির নিট রিজার্ভ মাইনাস ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। নির্দেশ মোতাবেক অনাদায়ী শুল্ক ও জরিমানা পরিশোধ করতে হলে কোম্পানিটির ওপর আর্থিক চাপ আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সর্বশেষ হিসাব বছরে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ২৩ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে ইমাম বাটন। ব্যবসা টেকসই করতে হলে উৎপাদন ক্ষমতার ৭০ শতাংশের বেশি ব্যবহার করতে হবে কোম্পানিটিকে।

লোকসানের কারণে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি ইমাম বাটন। গেল হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা, যেখানে আগের হিসাব বছরে এ লোকসান ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শেয়ারপ্রতি ৫৫ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৬৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৭ টাকা ৭৫ পয়সা।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামভিত্তিক বোতাম উৎপাদনকারী কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা ৭৭ লাখ এবং অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। মোট শেয়ারের ৩১ দশমিক ৫৩ শতাংশ রয়েছে এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে, ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৫৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

ডিএসইতে সর্বশেষ ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় ইমাম বাটনের শেয়ার কেনাবেচা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here