ইউনাইটেড গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করছে প্রযুক্তিখাতের শিল্পাঞ্চল

0
677

সিনিয়র রিপোর্টার : তথ্য-প্রযুক্তিখাতের শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো এগিয়ে এসেছে বেসরকারি খাত।

রাজধানীর উপকন্ঠে বাড্ডা ও ভাটারা থানাধীন সাতারকুল মৌজায় প্রায় আড়াই একর  (২.৪৩ একর) জমির ওপর তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি ইউনাইটেড গ্রুপ।

বেসরকারি উদ্যোগে হতে যাওয়া তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইউনাইটেড সিটি আইটি পার্ক’। 

সোমবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ‘ইউনাইটেড সিটি আইটি পার্ক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালহা ইসমাইল বারীর হাতে প্রাক যোগ্যতা সনদ তুলে দেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

কম্পিউটার সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার সংযোজন, মোবাইল ফোন তৈরিসহ সফটওয়্যারভিত্তিক যন্ত্রপাতি তৈরি সম্পর্কিত শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে হবে এই আইটি পার্কে।

আগামী দুই বছরের মধ্যে শিল্পাঞ্চলটির সব উন্নয়ন কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্পে অন্তত আট হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলেও জানান তারা।

সোমবার বেজা কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বেসরকারি খাতে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর অর্থনৈতিক ‘ইউনাইটেড সিটি আইটি পার্ক’ নির্মাণে প্রাক যোগ্যতা সনদ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর, যশোর, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইসিটি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গাজীপুরে ২৩২ একর জমির ওপর দেশের প্রথম হাইটেক পার্কের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, দেড় বছর আগেও দেশে বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পাঞ্চল নির্মাণের লোক পাওয়া যায়নি। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। মেঘনা গ্রুপ, আমান গ্রুপ, আব্দুল মোনেম গ্রুপসহ অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই এগিয়ে এসেছে।

তবে এবার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে এসেছে ইউনাইটেড গ্রুপ। বহুতল ভবনে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ধরনের তথ্যপ্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালহা বলেন, এ দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে অনেক দেশের উদ্যোক্তারা আগ্রহী। তারা ঢাকার আশপাশে বিনিয়োগের স্থান খুঁজছে। এ কারণে সাঁতারকুলকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

ইউনাইটেড গ্রুপ বর্তমানে বিদ্যুৎ, বন্দর, শিপিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল ও পর্যটনসহ ব্যবসায়িক বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

বেজার জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল কাদের খান জানান, কোনো কোম্পানির টার্নওভার ৫০ কোটি টাকার বেশি হলে তারা বেজার কাছে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আবেদন করতে পারে। সেদিক বিবেচনায় ইউনাইটেড গ্রুপ অনেক এগিয়ে।

দেশের বিভিন্ন খাতে ব্যবসা বাণিজ্যের সাফল্যের দিক বিবেচনায় ইউনাইটেড গ্রুপকে প্রাক যোগ্যতা সনদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here