শাহীনুর ইসলাম : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের বহরে যুক্ত হচ্ছে ৭টি বিমান। নতুন করে বিদেশ থেকে বিমান আনার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে বিমান কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে বিদেশী বিমান কিনতে টাকাও পরিশোধ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এসব বিমান দেশে অবতরণ করবে বলে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিশেষ সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিশেষ সূত্র জানায়, বিমান আনতে ইতোমধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশে-বিদেশের ব্যবসা পরিচালনার জন্য এসব বিমান আনা হচ্ছে। তার আগে সিভিল এভিয়েশনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কাজ চলছে। তবে কতো টাকা ব্যয়ে এসব বিমান আসছে তা প্রকাশ করেনি।

কী ধরণের বিমান আনা হচ্ছে -এমন প্রশ্নত্তোরে তিনি বলেন, আমাদের এমডি সাহেব বিমান পরিচালনায় অনেক দক্ষ মানুষ। তিনি এবং বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৮৭ সিটের Airbus-340, ১৭০ সিটের 3xBoeing MD-83 এবং 170/167/167/161/155, 5 x Boeing MD-83, (2 leased) বিমান আসছে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে তা আসবে।

স্টক বাংলাদেশের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আরো অনেক তথ্য। ইতোমধ্যে কোম্পানির ১২টি বিমানের উড্ডয়নের উপযোগী করতে সিচেক সম্পন্ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) ‘অবগত’ করানো হয়েছে।

নতুন করে উড়তে যাচ্ছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। এতে কোম্পানির সম্ভাবনাও অনেক বাড়তে শুরু করলো।

Screenshot_2
ছবি : ইউনাইটেডে এয়ারের এসব বিমান আসছে

স্টক বাংলাদেশ নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঙ্গলবার তিনি হেসে বলেন, পরিচালনার অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করতে অফিসে নতুন জনবল নিয়োগের কাজ চলছে। এ বছরই কোন একদিন সব বিমান হাজির হবে। অনুসন্ধানে মেলে ইউনাইটেড এয়ারের বহরে যুক্ত হচ্ছে বিমানগুলোর ছবি ও অন্যান্য তথ্যচিত্র।

Screenshot_3
ছবি : ইউনাইটেডে এয়ারের এসব বিমান আসছে

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে কথা হয় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের এমডি ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচলের যোগ্য এসব বিমান আসছে। ইতোমধ্য আমরা সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। আশা করছি- কোন সমস্যা না হলে এবছরই সব বিমান আসবে। ইতোমধ্যে আমরা বিমানের সব পাওনাও পরিশোধ করেছি। সব কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছি বলে বিনিয়োগকারীদের হাতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান এমডি।

একই সঙ্গে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিশেন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, যারা সংবাদ তৈরি করতে চান তারা কোম্পানির প্রোফাইলটা একবার দেখুন। এতেও সমস্যা হলে আমার সঙ্গে কথা বলুন। একজন সাংবাদিক কোম্পানির এমডির সঙ্গে কথা না বলে এবং তথ্য না জেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করবেন, এটা খুবই দুঃখজনক। অনুগ্রহ করে বিভ্রান্তীকর সংবাদ করবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here