সম্পদ বেড়েছে বিদ্যুৎ-জ্বালানী খাতের ১১টি কোম্পানির

0
4001

সিনিয়র রিপোর্টার : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৮ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টির প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বেড়েছে। অন্যদিকেে কমেছে বিপরীতে কমেছে ৭টি কোম্পানির। যে কারণে সমৃদ্ধ কোম্পানিগুলোর কাছে প্রত্যাশা বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের।

বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে- মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ডেসকো, ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস, যমুনা অয়েল, কেপিসিএল, লিন্ডে বিডি, সামিট পাওয়ার, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড এবং তিতাস গ্যাস লিমিটেড।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৯১.২৩ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৮২.৯০ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ৮.৩৩ টাকা।

পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১০৩.৮৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৯১.৩৫ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বৃদ্ধি পেয়েছে ১২.৫১ টাকা।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৮৪ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির এনএভি ছিল ৩২.০৩ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ৩.৮১ টাকা।

ডেসকো : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৮.৫৯ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৩৬.৭৬ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ১.৮৩ টাকা।

ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২৫.৬৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৮৪.২০ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১.৪৬ টাকা।

যমুনা অয়েল : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৬৭.৯৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩৮.৪৬ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ২৯.৫ টাকা।

কেপিসিএল: কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৭.১৫ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ২৬.৩৭ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ০.৭৪ টাকা।

লিন্ডে বিডি: কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২০৯.২৮ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৮৩.০৪ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ২৬.২৪ টাকা।

সামিট পাওয়ার : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৮.৩৭ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ২৫.৬৭ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ২.৭ টাকা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৮২.৪৭ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৭২.৫৭ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ৯.৯ টাকা।

তিতাস গ্যাস : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৬২.৫৫ টাকা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৫৮.৭৫ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি বেড়েছে ৩.৮ টাকা।

যেসব কোম্পানির এনএভি কমেছে সেগুলো হচ্ছে- ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেড, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডাস লিমিটেড, এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড, জিবিবি পাওয়ার ও ডরিন পাওয়ার।

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৫.৫২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ৩৭.৫৫ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ২.০৩ টাকা।

বারাকা পাওয়ার লিমিটেড : কোম্পানিটির ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৯.১২ টাকা। আগের বছর একই কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৯.৮৬ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ০.৭৪ টাকা।

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেড : কোম্পানিটির ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬.৬৪ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ ছিল ১৯.২৬ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ২.৬২ টাকা।

বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডাস লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২.৩২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩.৭৮ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ১.৪৬ টাকা।

এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩০.৯২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৫.০৮ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ৪.১৬ টাকা।

ডরিন পাওয়ার : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩২.০৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৪.৬৪ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ২.৫৮ টাকা।

জিবিবি পাওয়ার : কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২০.৪৮ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য ছিল ২০.৬১। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির এনএভি কমেছে ০.১৩ টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here