এক্সিম ব্যাংকের লোকসান, অ্যাকটিভ ফাইনের আয় কম, প্রিমিয়ার ব্যাংকের বৃদ্ধি

0
1035

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাকটিভ ফাইনের আয় কমেছে।অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এক্সিম ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে। তবে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে হাজার গুণেরও বেশি। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য জানা যায়।

অ্যাকটিভ ফাইন : চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস কমেছে ১৫ শতাংশ। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৩১ পয়সা।

উল্লেখ্য, কোম্পানি ২০১৩ সালে যে ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছিল তা বিবেচনায় আনলে চলতি বছরে ইপিএস হত ৯৩ পয়সা। আর আগের বছর ইপিএস হত ১ টাকা ৯ পয়সা।

এক্সিম ব্যাংকের : চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এক্সিম ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৮২ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭২ পয়সা। তবে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর কর-পরবর্তী লোকসান ছিল ৭৪ কোটি ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি লোকসান ৬৪ পয়সা।

২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এক্সিম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১১ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে সুপারিশ করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস ১ টাকা ৬৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ১৭ টাকা ৭২ পয়সা। আগামী ২৬ জুন বেলা ১১টায় বসুন্ধরা কনভেশন সেন্টারে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।

২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ওই হিসাব বছরে এর ইপিএস হয় ১ টাকা ৯৮ পয়সা, শেয়ারপ্রতি এনএভি ১৫ টাকা ৭৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ২০৮ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে হাজার গুণেরও বেশি। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে এই ব্যাংকের ইপিএস ১ হাজার ২৩৩ শতাংশ বেড়েছে। ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে প্রকাশ করলে এই তথ্য জানা যায়।

আলোচিত প্রান্তিকে ব্যাংকের কনসোলিটেড মুনাফা (সুদ বাদে) হয়েছে ২০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা। যা ব্যাংকের আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৩ পয়সা।

উল্লেখ্য, এই ব্যাংক ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রস্তাব করেছিল। এই বোনাস শেযার হিসেবে আনা হলে ২০১৪ সালে কনসোলিটেড রেসটেটেড ইপিএস হত ৩৭ পয়সা। অবশ্য ২০১৩ সালে একই থাকত ইপিএস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here