আস্থা ফেরাতে ‘চার ইস্যুর’ বৈঠক সম্পন্ন

0
2656

সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে ‘আস্থা ফেরাতে’ চারটি ইস্যু নিয়ে সোমবার বৈঠক করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বৈঠকে শীর্ষ ব্রে‍াকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি বিনিয়োগেকারীদের ‘আস্থা ফেরাতে ইতিবাচক ধারণা দেয়ার’ আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর পক্ষ থেকে ‍বিভিন্ন ইস্যু ত‍ুলে ধরা হয়। ইস্যুগুলোর মধ্যে- বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে আইপিও অনুমোদন না দেয়া, কোম্পানির স্পন্সরদের শেয়ার বিক্রি বন্ধ রাখা, ব্রোকার ডিলারদের একাউন্টসের সক্ষমতা বাড়ানো এবং চাহিদা তৈরি না করে যোগান না বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) জানায়, নিজ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাজারে নতুন ফান্ড আনার উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে তাাদের গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করতে হবে।

সভায় দেশের শীর্ষ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধি এবং বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিক্রির চাপে দরপতন ঠেকাতে ‘কোম্পানির স্পন্সরদের শেয়ার বিক্রি বন্ধ রাখা’ সম্পর্কে বাজারে ভালো প্রভাব ফেলবে। তবে সেকেন্ডারি ম‍ার্কেটে ‘আইপিও শিকারী’ কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়বেন। এমন মন্তব্য করেন শীর্ষ এক মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা।

‘নতুন ফান্ড আনার উদ্যোগ সম্পর্কে’ নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে আরেক মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের বাইরে থেকে ফান্ড কালেকশন করতে হবে। নতুন ক্লায়েন্ড যখন আসছে না; বিএসইসি তখন নতুন পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, তবে ব্রোকার হাউসগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে ১০ বছর আগে এ প্রস্তাব ছিল। ইনকাম এবং ব্যয় সমন্বয় করতে আরো আগে এমন কাজ করার দরকার ছিল। এখন যা করেছে দেখা যাক, ফলাফল কি আসে।

এক্সপেজার লিমিট নিয়ে তিনি আরো বলেন, এটা আমাদের মস্তিস্ককে অলস করে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত একটা স্থানে তাদের শেয়ার দিয়ে আবদ্ধ করে রাখাই হল কাজ। কিন্তু এটাকে এমন বড় করে দেখানো হয়েছে- যে এটা ছাড়া বাজার অচল। যা মানসিকভাবে এত দূর্বল করা হয়েছে। আসলে এটা কিছুই না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here