আল্টিমেট অক্সিলেটর (Ultimate Oscillator) পর্ব – ২

0
714

বাই সিগনালঃ

আল্টিমেট অক্সিলেটর তিন ধাপে বাই সিগন্যাল দিয়ে থাকে । প্রথমে, ইন্ডিকেটর এবং প্রাইস এর মাঝে একটা বুলিশ ডাইভারজেন্স পাওয়া যাবে । এটার মানে হচ্ছে, আল্টিমেট অক্সিলেটর হাইয়ার-লো তৈরি করবে, যেখানে প্রাইস লোয়ার-লো তৈরি করবে । অক্সিলেটরে হাইয়ার-লো এর মানে হচ্ছে কম নিম্নমুখী মোমেন্টাম। দ্বিতীয়ত, বুলিশ ডাইভারজেন্স এর লো ৩০ এর নিচে থাকতে হবে । এটা প্রমান করবে যে প্রাইস ওভারসোল্ড অথবা সম্পর্কিত সর্বোচ্চ মানে পৌঁছাবে ।

Screenshot_1

বে লিজিংএ দেখা যাচ্ছে যে, এপ্রিল মাসের শেষের দিকে আল্টিমেট অক্সিলেটর (৭,১৪,২৮) ওভারসোল্ড এ চলে গেছে এবং মে মাসের শেষের দিকে এটি একটি বুলিশ ডাইভারজেন্স তৈরি করেছে । এখানে টেকনিক্যাল এনালাইসিস করার ব্যাপারে একটু নমনীয় হতে হবে । একজন এনালাইস্ট ভালভাবে খেয়াল করলে তারা আরও আগেই বুলিশ সিগনাল পেত যখন আল্টিমেট অক্সিলেটর লাইন ৫০ অতিক্রম করেছে । এই ৫০ এর স্তরটা বুল-বিয়ার অঞ্চল হিসেবে ধরা যায় । ৫০ লাইন এর উপরে আল্টিমেট অক্সিলেটর থাকলে সেটা বুলিশ সিগনাল এবং ৫০ লাইন এর নিচে থাকলে সেটা বিয়ারিশ সিগনাল । এখানে আরেকটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে শেয়ারটি মে মাসের ডাউন ট্রেন্ড লাইনটা জুন মাসের ডাওন ট্রেন্ড ব্রেক করেছে যেটা একটা বুলিশ ট্রেন্ড এর ইঙ্গিত করে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here