আইপিওর ৯৬ শতাংশ টাকা ব্যবহার করেনি রিজেন্ট টেক্স

0
1243

স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের হাবিব গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট টেক্সটাইল। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১২৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করে। আড়াই বছর পার হলেও উত্তোলিত টাকার মধ্যে ৯৬ শতাংশ বা ১২০ কোটি টাকাই অব্যবহৃত পড়ে আছে।

দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই ও সিএসইর কাছে গত মাসে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ এ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

এদিকে উত্তোলিত ১২০ কোটি টাকার ব্যাংকে জমা রেখে সুদ বাবদ আয় থেকে কোম্পানিটি গত বছর সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে নন-অপারেটিং ইনকামই ছিল ১০ কোটি টাকার বেশি।

রিজেন্ট টেক্সটাইলের আইপিও লটারি অনুষ্ঠানে অতিথিরা

গত ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে রিজেন্ট টেক্সটাইলের নিট মুনাফা ছিল ১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা এসেছে ব্যাংক আমানতের ওপর অর্জিত সুদ থেকে। অর্থাৎ আইপিও টাকার ওপর সুদ না পেলে কোম্পানিটি লোকসানে পড়ার শঙ্কা ছিল। কোম্পানিটির বহির্নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত জুন পর্যন্ত কোম্পানিটি আইপিও টাকা ব্যাংকে জমা রেখে সুদ বাবদ ১৪ কোটি ২ লাখ টাকা আয় করেছে।

জানতে চাইলে কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) অঞ্জন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, আইপিও প্রক্রিয়ায় উত্তোলিত মূলধনের বড় অংশ একেবারে নতুন তৈরি পোশাক (আরএমজি) প্রকল্পে খরচ করার কথা ছিল। লক্ষ্য ছিল এর আগে ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্প দাঁড় করানোর। আমদানি করা কাপড়ে নয়, নিজের উৎপাদিত কাপড় দিয়েই আরএমজি করার পরিকল্পনা চলছে। এ জন্য অতিরিক্ত কিছু সময় দরকার। এ ছাড়া বিএমআরইর উদ্দেশ্যে এরই মধ্যে কিছু যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রিজেন্ট টেক্সটাইল ২০১৫ সালের অক্টোবরে আইপিও প্রক্রিয়ায় মোট ১২৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করেছিল। আইপিও প্রসপেক্টাস অনুযায়ী ব্যবসা সম্প্রসারণে ওই টাকা ব্যবহারের অনুমতি পায় ওই বছরের ডিসেম্বরে। গত ১৯ জুনের মধ্যে পুরো টাকা খরচের কথা ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here