আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্তদের মেয়াদ বাড়ল

0
1590

স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত ২০ শতাংশ কোটার মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর ফলে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে কোটা সুবিধা পাবে ২০১০ সালের পুঁজিবাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত ২০ শতাংশ কোটার মেয়াদ ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়াতে কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত এক বছরে সেকেন্ডারি বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও ২০১০ সালের ধসে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক বিনিয়োগকারীই এখনো লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই কোটা সুবিধার মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়ানো হলে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন, এ বিবেচনায় এর মেয়াদ বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল কমিশন।

প্রসঙ্গত, ধসের পর সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ২০১২ সালের ১ জুলাই থেকে আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ করে বিএসইসি। পরবর্তীতে চার দফায় কোটার মেয়াদ বাড়ানো হয়। চলতি বছরের ৩০ জুন সর্বশেষ বর্ধিত সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আইসিবির প্রাক্কলন অনুসারে, ২০১০ সালের বাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মোট সংখ্যা ৯ লাখ ১৭ হাজার ৮২৮ জন।

বাজার-সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় শূন্য ঝুঁকি ও উচ্চ মূলধনি মুনাফার কারণে দেশের পুঁজিবাজারে আইপিওর শেয়ারে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। গত পাঁচ বছরে আইপিওতে ওভার সাবস্ক্রিপশনের প্রবণতা তিন গুণ বেড়েছে। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়াই প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সেকেন্ডারি বাজারে বেশ উচ্চমূল্যে আইপিওর শেয়ার হাতবদল হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য লোকসান কাটিয়ে ওঠার একটি বড় সুযোগ আইপিওর শেয়ার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here