অ্যাসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল

0
563

অ্যাসেন্ডিং এবং ডিসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল হচ্ছে সিমেট্রিকাল ট্রাইঙ্গেলের কিছুটা পরিবর্তিত রুপ। কিন্তু সিমেট্রিকাল ট্রাইঙ্গেলের কার্জ পদ্ধতির সঙ্গে অ্যাসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেলের কার্জ পদ্ধতির বেশ পার্থক্য রয়েছে। চিত্র অ্যাসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেলের উদাহরন দেয়া হয়েছে। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে উপরে অবস্থিত ট্রেন্ড লাইনটি সমতল বা ফ্ল্যাট অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে নিচে অবস্থিত ট্রেন্ড লাইনটি ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে। এই প্যাটার্ন এটাই প্রকাশ করে যে ক্রেতারা বিক্রেতার তুলনায় বেশী শক্তিশালী। এই প্যাটার্নকে বুলিশ হিসেবে ধরা হয় এবং সাধারনত একটি ব্রেক আউটের পর ঊর্ধ্বমুখী হয়। অ্যাসেন্ডিং এবং ডিসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল প্যাটার্ন সিমেট্রিক ট্রাইঙ্গেল প্যাটার্নের তুলনায় বেশ খানিকটা ভিন্ন। অ্যাসেন্ডিং ও ডিসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল প্যাটার্নের ট্রেন্ডের যেখানেই তৈরি হক না কেন পূর্বাভাস বা ইঙ্গিত একই রকম থাকে। অ্যাসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল প্যাটার্ন সব সময় বুলিশ অবস্থায় এবং ডিসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল বিয়ারিশ অবস্থার ইঙ্গিত করে থাকে। অপএর দিকে সিমেট্রিক একটি নিউট্রাল অর্থাৎ কখনও বুলিশ আবার কখনও বিয়ারিশ অবস্থা প্রকাশ করে থাকে। এর মানে এই নয় যে সিমেট্রিক ট্রাইঙ্গেলের মাধ্যমে সঠিক ভাবে বুলিশ বা বিয়ারিশ অবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায় না। সিমেট্রিক ট্রাইঙ্গেল প্যাটার্নের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ট্রেন্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোন সেয়ারে এই প্যাটার্ন পাওয়া মানে ঐ শেয়ারটি পুনরায় তার পূর্ববর্তী ট্রেন্ডে ফিরে যাবার সম্ভাবনা প্রবল। অ্যাসেন্ডিং ট্রাইঙ্গেল সব শময়ি বুলিশ অবস্থা প্রকাশ করে করে। যখন শেয়ারের মূল্য এই প্যাটার্ন কে ব্রেক আউট করে তখন তা বাই সিগন্যাল বা ক্রয় শংকেত হিসেবে নেয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে একটি শক্তিশালী ব্রেক আউটের সময় ভলিউম বেশী থাকাটা জরুরি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here