সিনিয়র রিপোর্টার : অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের ‘ব্যবসা অনেক ভালো চলছে। বিগত দিনের তুলনায় দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আরো ভালো চলছে। এখন আমাদের কোম্পানি দেশের বাইরে শতভাগ রপ্তানী করছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রোববার কোম্পানির ঊধ্বতন এক কর্মকর্তা এসব কথা বলেন। আইপিওর ২০ কোটি টাকার ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আইপিও থেকে উত্তোলন করা টাকায় একটি মেশিন অর্ডার করা হয়েছে। ৩/৪ মাস পরে বা আগামী জুনে চীন থেকে দেশে মেশিন আসবে।

ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য আমরা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছি, তার ব্যবহার শুরু হয়েছে। ২০১৫ সালে আমাদের কোম্পানির বাৎসরিক উৎপাদন ছিল ১৪০ কোটি টাকার। নতুন আরো একটি মেশিন যোগ হলে উৎপাদন বাড়বে। অনুকূল পরিবেশ পেলে তা ২০০ কোটি অতিক্রম করারও সম্ভাবনা রয়েছে।

গত বছরে ব্যবসা ভালো করায় অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ (৭ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ) লভ্যাংশ ঘোষণা করে।

তিনি আরো বলেন, আইপিও টাকায় কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গাজীপুরে ফ্যাক্টরি নির্মাণ কাজ চলছে। আশা করছি, দ্রুত চীন থেকে আনা মেশিন কাজে লাগবে।

oly-2আইপিও প্রসপেক্টাসে দেখা গেছে, গাজীপুরের কুড়িবাড়িতে ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২১ হাজার স্কয়ার ফিটের ভবন নির্মাণ করবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রোববার সকালে দেখা গেছে, কোম্পানিটির শেয়াপ্রতি দর হয়েছে ৩২.১০ টাকা। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ারের দর বর্তমানে হচ্ছে ৩২ টাকা।

Screenshot_1প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন গত বছরে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়। শুরুর পরে শেয়ারপ্রতি দর অনেক বাড়তে থাকে, এরপরে তা অনেক কমেছে। এজন্য ডিএসই অকারণে দর বৃদ্ধির কারণ দর্শাতে গত বছরের জুলাইয়ে নোটিশও প্রদান করে।

পেছনের খবর : অলিম্পিক এক্সেসরিজের ‘আমলনামা’ দ্বিতীয় পর্ব

আরো খবর দেখুন : অলিম্পিক এক্সেসরিজের ‘আমলনামা’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here