অগ্রণী ব্যাংকের ৩০৭ কোটি টাকা ফেরত পেতে বেক্সিমকোকে নোটিশ

0
390

সিনিয়র রিপোর্টার : বেক্সিমকো গ্রুপের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব অগ্রণী ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ৩০৭ কোটি টাকা। আগামী তিন মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে ১১ এপ্রিল বেক্সিমকোকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংকটি। চলতি বছরের ১৮ মার্চ শেয়ার সেল এন্ড বাই ব্যাক এগ্রিমেন্টের আওতায় বকেয়া দায় সমাধান করতে এই চিঠি দেয়া হয়েছে। কোম্পানির বিশেষ সূত্র মঙ্গলবার তথ্য নিশ্চিত করে।

ব্যাংকটির ৫৫৪তম পর্ষদ সভায় ৯ এপ্রিল পাওনার বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে কিছু শর্ত সাপেক্ষে তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়। সিদ্ধান্তটি চিঠির মাধ্যমে ১১ এপ্রিল বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বেক্সিমকো গ্রুপ তিন মাসের মধ্যে ৩০৭ কোটি টাকা পরিশোধ করলে চুক্তিটি অবসায়ন হবে।

জানা যায়, ২৮ নভেম্বর ২০১০ এ শেয়ার সেল এন্ড বাই ব্যাক এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের (বেক্সটেক্স) ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার (প্রতিটি শেয়ার গড়ে ৪১.৫২ টাকা করে) কেনে অগ্রণী ব্যাংক। পরবর্তীতে ২০১১ সালে বেক্সটেক্স-কে বেক্সিমকো লিমিটেডের সঙ্গে একীভুত করা হয়। এতে বেক্সটেক্সের ৫টি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

একই এগ্রিমেন্টে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ -এ জিএমজি এয়ারলাইনসের এক কোটি ৯৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮১টি শেয়ার (প্রতিটি শেয়ার ৩৩.৭১ টাকা করে) কিনেছে ব্যাংকটি। চুক্তি অনুযায়ী বিনিয়োগ করা টাকার ওপর ব্যাংককের ২০ শতাংশ হারে রিটার্ন দেওয়ার শর্ত ছিল। আর গত ৩১ জুলাই ২০১২ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়।

অপরদিকে ৩০ মার্চ ২০১২ থেকে জিএমজি এয়ারের সকল উড্ডয়ন কার্যক্রম বন্ধ।

শেয়ার দর পড়ার কারণে চুক্তির গ্যারান্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বেক্সিমকো লিমিটেডের ১ কোটি ৯৯ লাখ ৪৭ হাজার ২১১টি শেয়ার এবং শাইনপুকুর সিরামিকসের ৯৯ লাখ শেয়ার ব্যাংকের নামে করে দেয়। এই শেয়ারগুলোর বাজার মূল্য ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ৭০ কোটি ৬৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৯৭ টাকা।

তাদের কাছ থেকে লভ্যাংশ হিসেবে ব্যাংকের পাওনা ৩২৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ব্যাংক লভ্যাংশ হিসেবে তাদের কাছ থেকে পেয়েছে ১০৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here